গত ৮ অক্টোবর ২০২৩ রবিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক কার্যালয়ে কনফারেন্স হলে হেমাটোলজি বাংলাদেশ ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ব্লাড ক্যান্সারে সুস্থ হওয়া রোগীদের উপস্থিতে সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন হেমাটোলজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মাদ গোলাম রব্বানী। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর সভাপতি প্রফেসর ডাঃ মজিবুল হক খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ সাহেনা আক্তার, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মো: ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, চমেক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মো. মনোয়ারুল হক শামীম, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ মো. হাফিজুল ইসলাম। সেমিনারে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডাঃ শামীম আরা, চমেক হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডাঃ আশেকুল ওয়াহ্হাব চৌধুরী, কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বক্তব্য রাখেন হেমাটোলজির রেজিস্ট্রার ডাঃ সৌরভ বিশ্বাস। অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মাদ গোলাম রব্বানী বলেন, ২০০৮ সালে স্বতন্ত্র বিভাগ চালু হলেও কার্যক্রম ছিল না। প্রথমে মেডিসিন বিভাগ ও পরবর্তীতে প্যাথলজি বিভাগের সাথে কাজ করতে হয়েছে। যার কারণে রক্ত রোগের চিকিৎসা সেবা প্রদান ছিল খুবই কষ্টকর। ধীরে ধীরে সফলতা এসেছে। ব্লাড ক্যান্সার থেকে শুরু করে জটিল রক্ত রোগের চিকিৎসা ও সফলতা এসেছে। শুধুমাত্র বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট ছাড়া রক্তে অন্যান্য সেবা প্রদান করা হচ্ছে। কেমোথেরাপি দিয়ে ৭০% রোগী সুস্থ করা সম্ভব হয়েছে। ২০২২ সাল থেকে চিকিৎসদের এমডি কোর্স চালু করা হয়েছে এবং প্রায় ৩০ জন রক্ত ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছেন। ১০০ ভাগ চিকিৎসা সম্ভব হবে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সুবিধা যদি থাকে। অবকাঠামো ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করার মতো আমাদের এই হাসপাতালে উপযোগিতা রয়েছে।
Discussion about this post